৩২.৫৭°সে, ১৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
গৌরীপুর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ চত্বরে ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রী ক্লাশ শেষে বের হবার পথে স্কুল চত্বরে অপহরণের চেষ্টা করে এক যুবক। এ সময় ছাত্রীর চিৎকারে বিদ্যালয়ের ফার্ম মেশিনারি বিভাগের শিক্ষক মো. সাকিব আল হাসান ও ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের শিক্ষক মো. আল আমিন বাচাঁতে এগিয়ে গেলে এ সময় যুবকের ছুরিকাঘাতে আহত হন তারা। এসময় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা এগিয়ে এলে যুবক পালিয়ে যায়।
মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। আহত দুই শিক্ষক গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। অভিযুক্ত যুবকের নাম পাভেল মিয়া।
ভুক্তভোগী স্কুল ছাত্রী জানান, ক্লাস শেষে কলেজের গেইটে আসতে ঐ যুবক তার মোবাইল নাম্বার চায়। তাকে মোবাইল নাম্বার না দেয়ায় ও কথা না বলায় উত্ত্যক্ত শুরু করে। একপর্যায়ে আমাকে উঠিয়ে নিবে হুমকি দেয়। আমি ওর হাত থেকে বাঁচতে কলেজের পিছনের গেইট দিয়ে দৌড়ে কলেজ ক্যাম্পাসে চলে আসি। ওই ছেলেটাও পিছু নেয়। কলেজ ক্যাম্পাস থেকে আমাকে তুলে নেয়ার চেষ্টা করে। আমাকে বাঁচাতে শিক্ষকরা এগিয়ে আসলে ওর সঙ্গে থাকা ছুরি দিয়ে দু’স্যারকে আঘাত করে।
ফার্ম মেশিনারি বিভাগের শিক্ষক মো. সাকিব আল হাসান জানায়, শিক্ষার্থীদের হইচই দেখে এগিয়ে যাই। তখন এক ছাত্রীকে উঠিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছিলো। তাকে বাধা দেয়ায় তার কোমরের পিছন থেকে থাকা ছুরি নিয়ে আমার পায়ে আঘাত করে। আল আমিন স্যার তাকে ধরতে গেলে তাকেও ছুরিকাঘাত করে। এ সময় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে বহিরাগত পাভেল মিয়া পালিয়ে যায়। তার বাড়ি শুনেছি পৌর শহরের পশ্চিম দাপুনিয়ায়। থানায় বিষয়টি জানালে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন গৌরীপুর থানার পুলিশ।
গৌরীপুর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী সিদ্দিক আহাম্মদ জানান, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী একটি অভিযোগ দিয়েছেন। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গৌরীপুর থানা,উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সেনা ক্যাম্প ইনচার্জ বরাবরে চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে।