৩২.৫৭°সে, ১৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সারা দেশে চলমান কোটা আন্দোলন ও ছাত্র আন্দোলনের নামে সরকার পতনের এক দফা দাবির প্রতিবাদে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (০৪ আগষ্ট) বিকেলে গৌরীপুর উপজেলা আ’লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের সম্মনয়ে উপজেলা আ.লীগের কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে গৌরীপুর পৌর শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। মিছিলের নেতৃত্ব দেন গৌরীপুর উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ও জাতীয় সংসদ সদস্য এড. নিলুফার আনজুম পপি, উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোমনাথ সাহা। পরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদ সদস্য এড. নিলুফার আনজুম পপি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোমনাখ সাহা।
উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ও জাতীয় সংসদ সদস্য এড. নিলুফার আনজুম পপি তার বক্তব্যে বলেন, সম্প্রতি সময়ে শিক্ষার্থীদের কোটা আন্দোলনের ছাত্রদের যে যৌক্তিক দাবি সেগুলো প্রতিটি দাবী প্রধানমন্ত্রী মেনে নিয়েছেন। তিনি যে সহনশীলতা ও উদারতা দেখিয়েছেন তার এই উদারতাকে মনে করেছেন দুর্বলতা। এই সুযোগ নিয়েছে স্বাধীনতা বিরোধীরা।তারা মনে করেছে আওয়ামী লীগ দুর্বল হয়ে গেছে, সে কথা ভাবার কোন কারন নাই। আমরা শেখ হাসিনার ডাকে সারা বাংলাদেশে প্রতিটি মহল্লায় একত্রিত হয়ে সারা বাংলাদেশ থেকে এই বিএনপি রাজাকার এবং তার দোসর জামায়াতকে বিতারিত না করা পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম চলবে।
উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোমনাথ সাহা বলেন,কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রদের এই কর্মসুচিকে হাইজ্যাক করা হয়েছে এই হাইজ্যাক করার কারনে জামাত শিবারকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে জামায়াত, বিএনপি সরকারি স্থাপনায় আগুন দিচ্ছে, তারা চায় বাংলাদেশটাকে একটি জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করতে। যা বিগত দিনেও জামাত বিএনপি করেছে।আমরা যারা শেখ হাসিনার সৈনিক, বঙ্গবন্ধুর আর্দশে এই দলটি করি আমরা সকলেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডাকে যে কোন লড়াই সংগ্রামে আমরা রাজপথে আমরা জীবন দিতেও প্রস্তুত আছি।
এসময় সেখানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আ: লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা: হেলাল উদ্দিন আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, ম. নুরুল ইসলাম, উপজেলা যুব লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, মোঃ মোফাজ্জল হোসেন খান। সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আহাম্মদ খান পাঠান সেলভী, সাবেক মেয়র শফিকুল ইসলাম হবি, আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল হোসেন জুয়েল,আবুল কালাম আজাদ,আব্দুল মুন্নাফ, উপজেলা যুব লীগের সভাপতি সানাউল হক, উপজেলা সেচ্চাসেবক লীগের সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নিলুফা ইয়াসমিন, রামগোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল আমিন জনি, বোকাইনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল মোক্তাদির শাহিন, মাওহা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল ফারুক, সহনাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন কাদের রুবেল, গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হযরত আলী, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি মোঃ আবুল হাসিম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুনসুর আলম মিলনসহ উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন আ,লীগ, যুবলীগ,সেচ্চাসেবক লীগ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দসহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।